আমার সম্পর্কে
আমার সম্পর্কে
নমস্কার, আমি অপু চন্দ্র বর্মন। জন্ম ও শৈশব কেটেছে বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া নামক এক শান্তশিষ্ট গ্রামে। জন্মলগ্ন হতেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আমার এক অপার আকর্ষণ। বাংলাভাষার সৌন্দর্য ও তার অন্তর্নিহিত রসে সিক্ত হয়ে আমি নিজেকে নিয়োজিত করেছি সাহিত্যচর্চায়।
ছোটকাল হতেই কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ও উপন্যাস রচনার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করার প্রচেষ্টা চলেছে। আমার লেখায় আমি মানুষের অন্তর্জগতের স্পন্দন, সমাজের দ্বন্দ্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং মানবতার চিরন্তন আহ্বানকে প্রতিফলিত করার চেষ্টা করি। আমি বিশ্বাস করি, কলমই হতে পারে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের অমোঘ বাহন।
শিক্ষাজীবনে আমি বাংলাভাষা ও সাহিত্য নিয়ে অধ্যয়ন করছি। লেখালেখির পাশাপাশি আমি একটি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছি, যেখানে প্রযুক্তিশিক্ষার মাধ্যমে মানবিক সেবা, ধর্মীয় চেতনার জাগরণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে। আমি প্রত্যাশা করি, আমার প্রতিষ্ঠান দেশব্যাপী শিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে সহায়তা করবে।
সাহিত্য ও প্রযুক্তিচর্চার পাশাপাশি সামাজিক ও শিক্ষার্থীদের অধিকারভিত্তিক কর্মকাণ্ডেও আমি যুক্ত রয়েছি। ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গঠিত বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে পথ চলছি। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে সংগঠনের সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।
এই ব্লগসাইট আমার চিন্তা, অনুভব, স্বপ্ন ও অভিজ্ঞতার এক আন্তরিক মঞ্চ। এখানে সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও মানুষের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আমার ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। আমি চাই, পাঠকগণ আমার লেখনীর মধ্যে খুঁজে পান জীবন ও জগতের অনাবিল সৌন্দর্য, মানুষের কথা এবং সময়ের বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
আপনাদের মন্তব্য ও মতামত আমার পথচলায় আলোর দিশা দেবে। আপনাদের ভালোবাসা, সমালোচনা ও পরামর্শকে সঙ্গী করেই এগিয়ে যেতে চাই। এই কামনায়, এই যাত্রা।
